ফিরে দেখা ২০১৯ : কেলেঙ্কারিতে বিব্রত ছিল প্রশাসন

0
531

৩০ ডিসেম্বর একাদশ সংসদ নির্বাচনে সরকারের এজেন্ডা সফলভাবে বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে বছর শুরু করে প্রশাসনের কর্মকর্তারা। কিন্তু নানা সমালোচনা আর কেলেঙ্কারিতে তাদের জন্য বিব্রতকর ছিল ২০১৯ সাল। বালিশ কেলেঙ্কারিসহ নানা দুর্নীতিও গণমাধ্যমে উঠে আসে এ বছরেই। মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তাদের নারী কেলেঙ্কারিসহ নানা নেতিবাচক ঘটনায় সারা বছর প্রশাসনে ছিল অস্বস্তি। কর্মকর্তাদের তুষ্ট করতে দুই দফা বড় ধরনের পদোন্নতিও দেয়া হয় প্রশাসনে। যদিও এসব পদোন্নতিতে বঞ্চিত করা হয় অপেক্ষাকৃত মেধাবী ও সিনিয়র কর্মকর্তাদের। এতে হতাশা বাড়ে বঞ্চিত কর্মকর্তাদের।

২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর দেশের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পর্যবেক্ষকদের মতে, এটি কোনো নির্বাচন ছিল না। ছিল প্রহসন। এতে নির্বাচন কমিশন যে যথাযথ ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হয়েছে তা নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই। পুলিশ ও প্রশাসন অনেক ক্ষেত্রে নির্বাচন সম্পর্কিত নিয়মনীতি লঙ্ঘনের অংশীদার ছিল।

অথচ রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করায় সব জেলা প্রশাসককে (ডিসি) ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানিয়ে চিঠি পাঠান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। এ ছাড়া নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ স্বাক্ষরিত আলাদা এক চিঠিতেও এসব কর্মকর্তাকে অভিনন্দন জানানো হয়।

বিতর্কিত নির্বাচনের পর চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি টানা তৃতীয়বারের মতো সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। ২৪ জন মন্ত্রী, ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী ও ৩ জন উপমন্ত্রী নিয়ে গঠন করা হয় নতুন মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে ছয় মন্ত্রণালয় রাখা হয়।

মন্ত্রিসভা গঠনের প্রায় সাড়ে চার মাসের মাথায় ১৯ মে তা পুনর্বিন্যাস করা হয়। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা: মুরাদ হাসানকে তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী করা হয়। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারকে একই মন্ত্রণালয়ের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রী করা হয়। আগে তিনি এই মন্ত্রণালয়য়ের দু’টি বিভাগের মন্ত্রী ছিলেন। কিন্তু পুনর্বিন্যাস করায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ওপর মোস্তাফা জব্বার নিয়ন্ত্রণ হারান।

আপনার মন্তব্য জানান