কেরানীগঞ্জের প্লাস্টিক কারখানায় আগুনে দগ্ধ হওয়ার ৫ দিন পর মৃত্যুর কাছে তার মানলেন শ্রমিক দুর্জয় দাস (১৮)। এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে হলো ১৯ জন।
রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া হিজলতলার ভাড়া বাসায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন দুর্জয় দাস।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন নিহতের ভগ্নিপতি সঞ্জয় দাস।
বুধবার কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া হিজলতলা এলাকার প্রাইম পেট এন্ড প্লাস্টিক কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে মারাত্মক দগ্ধ হন শ্রমিক দুর্জয় দাস।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছিল তাকে। শরীরের ৯০ শতাংশ পুড়ে যাওয়া দুর্জয়ের জীবনের আশা ছেড়ে দেন চিকিৎসকরা।
বার্ন ইউনিটের চিকিৎসকদের কাছ থেকে কোন আশা না পেয়ে ভর্তি হওয়ার পরদিন (বৃহস্পতিবার) সকালে এক প্রকার জোর করে ছেলেকে কেরানীগঞ্জের বাসায় নিয়ে আসেন দুর্জয়ের বাবা মিন্টু দাস। বাসায় আনার পর চারদিন বেঁচে ছিল দুর্জয়।
দুর্জয়ের বাবা মিন্টু দাস জানান, আগুন লাগার পর কারখানা থেকে প্রায় এক কিলোমিটার হেটে বেগুনবাড়ি ব্রিজের কাছে চলে আসে দুর্জয়। সেখান থেকে স্বজনরা তাকে দ্রুত মিটফোর্ড হাসপাতালে নিয়ে যান। মিটফোর্ড থেকে ফেরত দিলে দুর্জয়কে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। কিন্তু বার্ন ইউনিটের ডাক্তাররা জীবনের আশা ছেড়ে দিলে দুর্জয়কে বাসায় নিয়ে আসেন।
দুর্জয়ের দুলাভাই সঞ্চয় দাস জানান, চার ভাইবোনের মধ্যে সবার ছোট ছিল দুর্জয়। প্রাইম পেট এন্ড প্লাস্টিক কারখানায় চাকরি নেন মাত্র চার মাস আগে।









