সাজঘরে লিটন, ধ্বংসস্তূপে পরিণত টাইগাররা

0
365
Bangladesh's Liton Das is bowled out by Zimbabwe during the fourth day of the second Test cricket match between Bangladesh and Zimbabwe at the Sher-e-Bangla National Cricket Stadium in Dhaka on November 14, 2018. (Photo by MUNIR UZ ZAMAN / AFP) (Photo credit should read MUNIR UZ ZAMAN/AFP/Getty Images)

বিপর্যয়ের মুখে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন মোহাম্মদ মিথুন ও লিটন দাস। তাতে সম্মানজনক স্কোরের পথে এগিয়ে যাচ্ছিল বাংলাদেশ। দারুণ খেলছিলেন তারা। কিন্তু আচমকা থেমে গেলেন লিটন। হারিস সোহেলের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরলেন তিনি। ফেরার আগে করেন ৭ চারে লড়াকু ৩৩ রান। শেষ খবর পর্যন্ত ১৬৬ রান করেছেন টাইগাররা। সেই পথে ৬ উইকেট খুইয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছেন তারা। মোহাম্মদ মিথুন ২৪ রান নিয়ে ব্যাট করছেন। তাকে সঙ্গ দিতে ক্রিজে এসেছেন তাইজুল ইসলাম।

শুক্রবার রাওয়ালপিন্ডিতে টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তান অধিনায়ক আজহার আলি। ফলে প্রথমে ব্যাট করতে নামে মুমিনুল হকের বাংলাদেশ। ভূমিকাতেই শাহিন আফ্রিদির শিকার হয়ে ফেরেন অভিষিক্ত সাইফ হাসান। সেই রেশ না কাটতেই মোহাম্মদ আব্বাসের এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে বিদায় নেন ড্যাশিং ওপেনার তামিম ইকবাল। ফলে চাপে পড়েন টাইগাররা।

পরে অধিনায়ক মুমিনুল হককে নিয়ে শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে উঠেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ধীরে ধীরে মেলবন্ধন গড়ে ওঠে তাদের মধ্যে। ইনিংস মজবুত করতে শুরু করেন তারা। কিন্তু হঠাৎ পথচ্যুত হন মুমিনুল। শাহিন আফ্রিদির বলে অযাচিত শট খেলতে গিয়ে আউট হন তিনি। ফেরার আগে ৫ চারে ৩০ রান করেন পয়েট অব ডায়নামো। তাতে শান্তর সঙ্গে তার ভাঙে ৫৯ রানের জুটি।

টেস্ট স্পেশালিস্ট ব্যাটসম্যানের বিদায়ে চাপেই থাকে বাংলাদেশ। এ পরিস্থিতিতে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে নিয়ে দলের হাল ধরেন নাজমুল। ভালো সঙ্গও পান তিনি। তবে একপর্যায়ে হার মানেন এ টপঅর্ডারও।উইকেটের পেছনে তাকে ক্যাচ বানান মোহাম্মদ আব্বাস। ফেরার আগে ৬ চারে ৪৪ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন শান্ত। ৯৫ রানে ৩ উইকেট নিয়ে লাঞ্চে গিয়েছিল বাংলাদেশ। বিরতি থেকে ফিরেই সাজঘরের পথ ধরেন তিনি। সঙ্গী হারিয়ে বেশিক্ষণ ক্রিজে স্থায়ী হতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। সেই শাহিন আফ্রিদির শিকার হয়ে ফেরেন তিনি। ফেরার আগে ৪ চারে ২৫ রান করেন সাইলেন্ট কিলার।

এ ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে অভিষেক হয়েছে সাইফের। একাদশে রয়েছেন এক স্পিনার ও তিন পেসার। দীর্ঘদিন পর দলে ফিরেছেন রুবেল হোসেন। এ নিয়ে ১৭ বছর পর পাকিস্তানের মাটিতে টেস্ট খেলতে নেমেছে বাংলাদেশ। সবশেষ ২০০৩ সালে দেশটি সফরে টেস্ট খেলেন টাইগাররা। এর আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১০ ম্যাচে অংশ নিয়ে ৯টিতেই পরাজিত হয়েছেন তারা। বাকি ম্যাচটি ড্র হয়েছে।

বাংলাদেশ একাদশ: মুমিনুল হক (অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, সাইফ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মোহাম্মদ মিথুন, লিটন দাস (উইকেটরক্ষক), তাইজুল ইসলাম, এবাদত হোসেন, আবু জায়েদ রাহী ও রুবেল হোসেন ।

পাকিস্তান একাদশ: আজহার আলি (অধিনায়ক), শান মাসুদ, আবিদ আলি, আসাদ শফিক, বাবর আজম, হারিস সোহেল, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটরক্ষক), মোহাম্মদ আব্বাস, নাসিম শাহ, শাহিন শাহ আফ্রিদি ও ইয়াসির শাহ।

আপনার মন্তব্য জানান