নেপালের ওই ভূমিকম্পের পর বাংলাদেশে সরকারী ভাবে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানানো হয়েছিলো।
কিন্তু এ সম্পর্কিত নীতিমালা কোনোদিনই মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নে গুরুত্ব দেয়া হয়নি।
যদিও ২০০৪ সালেই জাতিসংঘের সহায়তায় সরকার ও কিছু সংস্থা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মসূচিতে গুরুত্ব দেয়া শুরু করেছিলো এবং সেই পরিকল্পনায় ভূমিকম্পের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত ছিলো।
পরে ২০০৯ সাল নাগাদ দেখা যায় ভূমিকম্প পরবর্তী উদ্ধার তৎপরতায় প্রয়োজনীয় জনবল ও উপকরই নেই ফায়ার সার্ভিস বিভাগের।
এখন কর্তৃপক্ষ বলছেন ফায়ার সার্ভিস এখন অনেক বেশি সক্ষমতা অর্জন করেছে। ভূমিকম্প জনিত আগুন বা অন্য বিপর্যয়ে তারা আরও বেশি সক্রিয়তা দেখাতে পারবে।
প্রায় এক লাখ স্বেচ্ছাসেবককে প্রশিক্ষণও দেয়া হয়েছে যাতে প্রয়োজনের সময় তারাও কাজ করতে পারেন।
কি কি করার প্রতিশ্রুতি ছিল
নেপালের ভূমিকম্পের ভয়াবহতায় তখন বাংলাদেশ জুড়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছিলো। কারণ এরপর বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিলো।
এরপর প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাউন্সিলের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছিলো ‘ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার’ প্রতিষ্ঠার।
সিদ্ধান্তটি এখনো বাস্তবায়িত না হলেও এ সম্পর্কিত কিছু কাজ চলছে বলে জানা গেছে।
এছাড়া ওই বৈঠকে ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (এনডিএমআইএস) নামে একটি ওয়েবসাইট তৈরির সিদ্ধান্তও হয়েছে বলে তখন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব জানিয়েছিলেন ।









