মুলাদীতে ঠিকাদারের অবহেলায় হাজার হাজার মানুষের জনদূভোর্গ

0
386

 

মুলাদী প্রতিনিধি:
মুলাদী উপজেলা সফিপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডে মুলাদী-গোসাইহাট উপজেলার সংযোগস্থলে দীর্ঘদিন জনজীবন ও যান বাহন চলাচলের দূভোর্গ নিরসনের জন্য মুলাদী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে গত ২০২২ সালের ১ম দিকে ৮৯ লক্ষ ৭ হাজার ৭৭ টাকা বরাদ্ধে ভূয়াই ব্রিজটি’র কার্যক্রম শুরু হয়ে ২৫শে মে  ২০২২ সালের নভেম্বর মাসে উক্ত কাজটি শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ঠিকাদারের অবহেলায় ব্রিজটি আজও সম্পূর্ণ হয়নি বিধায় বিপদে পড়ছে ঐ এলাকার যাতায়াতকারী হাজার মানুষ।

স্থানীয় মানুষ ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার মাধ্যমে জানা গেছে বাবুগঞ্জ উপজেলার ঠিকাদার ফিরোজ কিবরিয়া’র নামে উক্ত কাজটি টেন্ডার হয়। তিনি উক্ত কাজটি মুলাদী উপজেলার লিটন ঘরামীকে সাব ঠিকাদার নিযুক্ত করে কাজ শুরু করে। মাটির কাজ শেষ করার পর সাব ঠিকদার লিটন ঘরামী উধাও হয়ে যায় বলে জানান উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হানিফ সিকদার ও স্থানীয় জনতা।

২য় দফায় সাব কন্টাকটর হিসেবে মুলাদী উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কাজী মাইনুল আহসান সবুজ কাজ শুরু করে বলে জানা যায়। কিন্তু  নিন্ম মানের নির্মান সামগ্রী ব্যবহার করায় ঐ এলাকার জনগন সিডিউল মোতাবেক কাজ করার অনুরোধ জানাইলে প্রায় ৬০% কাজ করে বাকী কাজ অসামাপ্ত রেখে ফেলে আসে সেই থাকে আজ পর্যন্ত ব্রিজটি ঐ অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

বর্তমানে ২০২৪ সাল কিন্তুু গত ২/৩ বছর যাবৎ দুই উপজেলার জনগনের চলাচলের জনগুরুত্বপূর্ণ এ সংযোগ সড়কের মাঝে ব্রিজটি’র কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় দূর্ভোগের বিষয়টি মুলাদী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, এমনকি জেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানে কিংবা ঠিকাদারের বিরুদ্ধে আইনগত কোন ব্যাব¯’া না নেওয়ায় এলাকার জনগন চরম ক্ষোপ প্রকাশ করছে। তারা উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের সু দৃষ্টি কামনা করে জনগনের সীমাহীন কষ্ট দূর করার জন্য ব্রিজটি দ্রæত নির্মান ও ঠিকাদারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া দাবি জানিয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হানিফ সিকদারের নিকট জানাতে চাইলে তিনি জানান কাজটি করার জন্য মেয়াদ বাড়িয়ে পূর্ণরায় কাজ করার ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আপনার মন্তব্য জানান